সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার বৈচনায় প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি

  প্রতিনিধি ৪ জুলাই ২০২৬ , ৫:৫৯:৫৮ অনলাইন সংস্করণ

 

স্টাফ রিপোর্টার ।। সাতক্ষীরার বৈচনায় প্রতিপক্ষের মারপিটে কয়েকজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর তিনজন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এরা হলেন, সদর উপজেলার বৈচনা গ্রামের মুছা গাজীর স্ত্রী নাজমা খাতুন (৪৫), তার ছেলে নাজমুল শাহাদাৎ ওরফে সুমন হোসেন (২৭) ও একই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৫)।
পূর্বশত্রুতার জের ধরে শুক্রবার (০৩ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে বৈচনা গ্রামে এঘটনা ঘটে। রাতেই সাতক্ষীরা সদর থানায় বৈচনা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে মোঃ আরশাদ আলী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন।
থানায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন – বৈচনা গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে মোঃ আসাদুল ইসলাম, তার ছেলে মোঃ রাজিব হোসেন, ওয়াজেদ আলীর ছেলে মোঃ আবু সাঈদ, তার ছেলে মোঃ সজিব, মোঃ শহীদের ছেলে মোঃ শাহীন হোসেন ও মৃত নাটু মোড়লের ছেলে মোঃ সিরাজসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন।
মামলার অভিযোগপত্র ও হাসপাতালে ভর্তি আহতদের কাছ থেকে জানা গেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে বাদীর দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এরা জের ধরে বিবাদীরা শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে দলবেঁধে তাদের ওপর হামলা চালায়। লোহার শাবল,দা, কুড়াল,লাঠি নিয়ে বাদীর জমিতে কাজ করা কালীন লোকজনদের সাথে কথাকাটি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় নাজমা খাতুন প্রতিবাদ করলে তাকে বেধড়ক মারধর করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। একই সময়ে নাজমাকে উদ্ধার করতে গিয়ে রফিকুল ইসলাম ও নাজমুল শাহাদাত ওরফে সুমন হোসেন হামলার শিকার হন। এতে তারা তিনজনই গুরুতর আহত হন। এদেরকে উদ্ধারে যেয়ে আরো দুজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
বাদী মোঃ আরশাদ আলী জানান, তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নাজমার মাথায় একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। রফিকুলের মুখে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে এবং তার নাক ভেঙে গেছে। সুমন হোসেনের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে।
তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সত্যতা পেলে অবশ্যই মামলা হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আরও খবর