স্পেশাল

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রকৃত সত্য ঘটনা

  প্রতিনিধি ১ জানুয়ারি ২০২৬ , ৪:৩৭:৩২ অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার: প্রকৃত সত্য প্রকাশ
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—প্রকাশিত সংবাদটি প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে প্রশাসনিক জটিলতাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা মাত্র।
মো. কবির হোসেন আকনের অতীত ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট
মো. কবির হোসেন আকন (পিডিএস আইডি–২০১৬৭০২৯৮৫) পূর্বে বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এ সিনিয়র শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদে কর্মরত ছিলেন। কর্মকালীন সময়ে তিনি একটি গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গজনিত ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।এবং বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মকালীন থাকা অবস্থায়  নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন।
তাঁকে  শাস্তি স্বরূপ মে/২৫  মাসে বদলি করে  ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়াতে বদলি  করা হয়। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা প্রশাসন তাকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ২০২৫ সালের মে মাসে ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়াতে বদলি করে।
এ তথ্য গোপন রেখে তাকে ‘নির্যাতিত কর্মকর্তা’ হিসেবে উপস্থাপন করা সংবাদটির সবচেয়ে বড় অসততা।
ভুল প্রজ্ঞাপন ও পুরোনো আর্টিকেল–৪৭: বিভ্রান্তির মূল কারণ
১১/১২/২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পুনরায় বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—সেই বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কোনো শূন্য পদ ছিল না। ফলে তিনি সেখানে আইনগতভাবে যোগদান করতে পারেননি।
এরপর তিনি ১৩/১২/২০২৫ তারিখে পুরোনো আর্টিকেল–৪৭ ব্যবহার করে দায়িত্ব হস্তান্তর দেখিয়ে একাধিক বিদ্যালয়ে যোগদানের চেষ্টা করেন, যা প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
এই ব্যর্থতার পর তিনি নিজেই ১৪/১১/২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মস্থল সংশোধনের জন্য আবেদন করেন এবং মূলঘর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ফকিরহাট অথবা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে পদায়নের আবেদন জানান—যা প্রমাণ করে তিনি নিজেই জানতেন আগের পদায়ন কার্যকর ছিল না।
২৮ ডিসেম্বরের সংশোধিত প্রজ্ঞাপনই একমাত্র বৈধ নথি
তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২৮/১২/২০২৫ তারিখে একটি সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে তাকে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এ সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়।
কিন্তু চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো—তিনি এই সংশোধিত প্রজ্ঞাপনের আলোকে নতুন আর্টিকেল–৪৭ সংগ্রহ না করেই ১৩ ডিসেম্বরের পুরোনো আর্টিকেল দেখিয়ে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদানের চেষ্টা করেন। বিধি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও নিয়মবহির্ভূত।

আরও খবর