প্রতিনিধি ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩:৪০:২৯ অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জমি কেনার বায়না হিসেবে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার পর নির্ধারিত সময় পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়া এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাজী জাহিদুল হকের বিরুদ্ধে। এতে জমির ক্রেতা আবুল কালাম ও তার পরিবার চরম বিপাকে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মির্গীডাঙ্গা গ্রামের আবুল কালামের সঙ্গে শহরের মুনজিতপুর গ্রামের কালাম ডাক্তারের ছেলে কাজী জাহিদুল হকের জমি কেনাবেচার বিষয়ে যোগাযোগ হয়। শহরের কাটিয়া আমতলা মোড়ের একটি চিকিৎসালয়ে গ্রাম ডাক্তার ও জমি ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহর মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয় বলে জানান তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুলাই এফিডেভিট এর মাধ্যমে জাহিদুল হককে জমির বায়না বাবদ প্রথমে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ওই টাকার নিরাপত্তা হিসেবে আবুল কালামের নামে সাড়ে ১১ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে জমি কেনার জন্য আরও সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে জাহিদুল হকের কাছে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ার পাশাপাশি টাকা ফেরতও দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তারা। একাধিকবার যোগাযোগ করেও টাকা ফেরত না পেয়ে পরিবারটি দুশ্চিন্তায় পড়েছে বলে জানান।
আবুল কালামের স্ত্রী বলেন, গ্রাম ডাক্তার মাসুম বিল্লাহ ও মুকুলের মাধ্যমে তারা জাহিদুল হকের কাছে জমি কেনার জন্য সাড়ে ১৫ লাখ টাকা দেন। পরে টাকা ফেরতের বিষয়ে মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আর কথা বলতে চান না এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গ্রাম ডাক্তার ও জমি ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ বলেন, জাহিদুল হকের কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে—এ বিষয়টি তিনি জানেন এবং তিনি এর সাক্ষী। তবে তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর স্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
অভিযোগের বিষয়ে কাজী জাহিদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “খুব দ্রুত টাকা-পয়সা ম্যানেজ করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।”
ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের দেওয়া সাড়ে ১৫ লাখ টাকা ফেরত অথবা প্রতিশ্রুত জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

















