শ্যামনগর

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের শ্যামা প্রসাদের বিরুদ্ধে বিএলসি নবায়নে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ:খুটির জোর কোথায়

  প্রতিনিধি ৩১ আগস্ট ২০২৬ , ৩:২১:৫১ অনলাইন সংস্করণ

 

গ্রামের কথা রিপোর্ট:

সংবেদনশীল ও জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এলাকায় বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে সেটি শুধু একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এর সঙ্গে বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, জেলেদের জীবিকা এবং সরকারি রাজস্বসবকিছুই জড়িত।সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ দুই ফরেস্ট স্টেশন- কৈখালী ও কদমতলায় দায়িত্ব পালন করা বন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- আমাকে কৈখালী স্টেশনের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দুই স্টেশনে সরকার নির্ধারিত রেভিনিউয়ের বাইরে একটি টাকাও নেয়া হয়না। যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তা ষড়যন্ত্রমূলক। আমি এর প্রতিবাদ জানাই।নটাবেকি, হলদেবুনিয়া ও কাঁছিকাটাসহ তিনটি অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া আহরণের সুযোগ দিয়ে ‘স্পেশাল টহল টিম’-এর নামে নৌকাপ্রতি ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন- ওই এলাকা আমার না। তারা নিতে পারে। তবে কারা নেয় জানা নেই। অথচ পরক্ষণেই অপর প্রশ্নের জবাবে শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন- নটাবেকি এলাকা কদমতলার আওতাধীন। আমি কদমতলার অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি।সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, আমি স্টেশন অফিসারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলছি। এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিএফ ইমরান আহমেদের সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।সুন্দরবনে পাস-পারমিট বন্ধ থাকার সময়ে নৌকা প্রবেশ, অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ-কাঁকড়া আহরণ এবং সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ- সবগুলোই গুরুতর। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

এলাকা কদমতলার আওতাধীন। আমি কদমতলার অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি।সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, আমি স্টেশন অফিসারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলছি। এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিএফ ইমরান আহমেদের সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।সুন্দরবনে পাস-পারমিট বন্ধ থাকার সময়ে নৌকা প্রবেশ, অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ-কাঁকড়া আহরণ এবং সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ- সবগুলোই গুরুতর। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

আরও খবর