সাতক্ষীরা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  প্রতিনিধি ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৪:০৬:৪৫ অনলাইন সংস্করণ

গত১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬তারিখে দৈনিক যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর বার্তা,সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দক্ষিণের মশালসহ কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে- সাংবাদিকতার আড়ালে চিকিৎসা কার্যক্রম; সাতক্ষীরায় ডা. এম আমিরুল ইসলামকে ঘিরে নানা প্রশ্ন সেটা আমার দৃষ্টিগোযর হয়েছে। আমি, ডা. এম আমিরুল ইসলাম, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় আমার বিরুদ্ধে পাইলস, অর্শ, এনাল ফিশার, ফিস্টুলা ও সংশ্লিষ্ট রোগের চিকিৎসা প্রদান সংক্রান্ত যে অভিযোগমূলক সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আমি দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির আওতায় রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছি। আমি কখনো নিজেকে এমবিবিএস চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিইনি। আমার ব্যবস্থাপত্রে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চিকিৎসা পদ্ধতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। সুতরাং আমাকে আধুনিক চিকিৎসক হিসেবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে আমার চেম্বারে অসংখ্য রোগী স্বেচ্ছায় চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। কালিগঞ্জ উপজেলার কয়েকজন রোগীসহ অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে উপকার পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। কাউকে প্রলোভন, প্রতারণা বা জোরপূর্বক চিকিৎসা নিতে বাধ্য করার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।
আমি ইউনানীসহ প্রচলিত বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির আওতায় সেবা প্রদান করে থাকি, যা দেশে আইনগতভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) নিবন্ধন প্রয়োজন — এই বিষয়টি সকলেরই জানা। আমি কখনো নিজেকে সেই ধারার চিকিৎসক দাবি করিনি।
আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমি চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করি আমার নিজস্ব পরিচয়ে এবং কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ বা প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই ওঠে না।

প্রতিবাদকারী-

চিকিৎসক. এম আমিরুল ইসলাম

দেবহাটা, সাতক্ষীরা।

আরও খবর